Thursday,  Sep 20, 2018   2 PM
Untitled Document Untitled Document
সংবাদ শিরোনাম: •লক্ষ্মীপুরে মাদক ব্যবসায়ীর মুক্তির দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন, বিপাকে শিক্ষক •রামগঞ্জে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের বলাৎকার; অভিভাবকগণ আতঙ্কে •রামগঞ্জে ক্ষুদে মেসি: ৪ ম্যাচে ৯ গোল! •পশুর সাথে শত্রুতা- অল্পের জন্য রক্ষা! •একজন যোগ্য শিক্ষকের হাত ধরে তৈরি হয় একজন সু-নাগরিক...... ড. আনোয়ার হোসেন খাঁন •রামগঞ্জে রমজান উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত •লক্ষ্মীপুরে রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
Untitled Document

রামগঞ্জ উপজেলা বিএনপি: একের পর বহিস্কার অব্যহতি কোনঠাসা তৃণমূল

তারিখ: ২০১৮-০৪-০৯ ১১:২৭:১১  |  ৩১১ বার পঠিত

1 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

লক্ষ্মীপুর, ৯ এপ্রিল:
ত্যাগীদের অবমূল্যায়ন, প্রতিপক্ষকে সুবিধা প্রদান, দলে বিভাজন সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে দীর্ঘ এক যুগ পূর্বে সম্মেলন ছাড়া গঠিত রামগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে। দলকে কোনঠাসা করতে একের পর এক দলের সিনিয়র নেতাকর্মীদের বহিস্কার, অব্যহতি-পাল্টা অব্যহতি ও  কোথাও কোথাও ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের কমিটিতে স্থান দিয়ে দলের অভ্যন্তরিন ভীত নষ্ট করারও অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির বর্তমান সভাপতি ও সাবেক এমপি নাজিম উদ্দিন আহম্মেদের বিরুদ্ধে। দলের বিভিন্ন অংঙ্গসংগঠনের কমিটিও করা হয়নি দীর্ঘদিন।  
ফলে স্তিমিত হয়ে পড়েছে উপজেলা বিএনপি তার অঙ্গসংগঠনের কার্যক্রম। সম্প্রতি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরদ্ধে আদালতের সাজার রায় ঘোষণার পর বিভিন্ন জেলা উপজেলা পর্যায়ে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সভা-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হলেও অত্র উপজেলা ছিলো ব্যাতিক্রম। দলের বিভিন্ন পদে থাকা নেতাকর্মীরা গা-ঢাকা দিয়ে বিভিন্ন বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগদান, কেউ কেউ দেশ ও দেশের বাহিরে ভ্রমন করতে চলে যান।
চলতি বছরের ২৯মার্চ উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ও রামগঞ্জ সরকারী কলেজের সাবেক ভিপি মাহাবুবুর রহমান বাহারকে দল থেকে অব্যহতি দিয়ে সাবেক চেয়ারম্যান ও রামগঞ্জ সরকারী কলেজের সাবেক ভিপি আবদুর রহিমকে একদিনের মাথায় সাধারন সম্পাদক ঘোষণা দিয়ে দলীয় প্যাডে অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় বিএনপির দপ্তর সম্পাদক রুহুল কবীর রিজভী।
অভিযোগ রয়েছে উপজেলা বিএনপির সভাপতি নাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ১নম্বর কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল খালেক, ১০নম্বর ভাটরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নুরুল হুদা পাটওয়ারী ও ৬নম্বর লামচর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদকসহ কয়েকটি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সম্পাদকের স্বাক্ষর নকল করে মাহাবুবুর রহমান বাহার ভিপিকে অব্যহতি দেয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। আবদুর রহিম ভিপিকে সাধারন সম্পাদক ঘোষণার মাত্র একদিনের মাথায় পরদিন শুক্রবার ৩০মার্চ সকালে পূনরায় তার পদ স্থগিত করে সাধারন সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান বাহারকে কারণ দর্শানো নোটিশ প্রদান করেন।
১/১১ তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সাংসদ নির্বাচিত হন নাজিম উদ্দিন আহম্মেদ। নির্বাচিত হওয়ার পর উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন বিএনপির সব কমিটি ভেঙ্গে দিয়ে কোন প্রকার সম্মেলন ছাড়া নিজেই সভাপতি হয়ে নিজের পছন্দের লোক দিয়ে ত্যাগি ও তৃণমূলের মতামত উপেক্ষা নতুন কমিটি গঠন করে।
শুরু হয় বহিস্কার অভিযান। শুদ্ধি অভিযানের নামে উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক শেখ বদরোদ্দৌজাকে পদ থেকে সরিয়ে দেয়াসহ পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র হানিফ পাটওয়ারী, উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ কামরুজ্জামান, উপজেলা বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জিএস লকিয়ত উল্যা, বিএনপি নেতা আবুল বাশার সতু, পৌর বিএনপির সাবেক আহবায়ক মিজানুর রহমান মিরন, উপজেলা সহ-সভাপতি মনির হোসেনকে দল থেকে বহিস্কার করা হয় সাবেক প্রতিমন্ত্রী জিয়ার অনুসারী অভিযোগে। এছাড়া রামগঞ্জ সরকারী কলেজের সাবেক এজিএস ও বিএনপি সমর্থিত কলেজ ছাত্র সংসদের মনোনিত ভিপি প্রার্থী আবুল কাশেমকে বিএনপি সভাপতির বাড়ী থেকে বের করে দেয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
নতুন কমিটিতে স্থান দেয়া হয় বিতর্কিত লোকদের। পৌর যুবদলের সভাপতি পদে আনা হয় সাবেক যুবলীগ নেতা আলাউদ্দিনকে, উপজেলা বিএনপিতে আনা হয় সাবেক যুবলীগ নেতা আমজাদ হোসেনকে। এছাড়া দলের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতৃত্বে আনা হয় চোরাচালানী, মাদক ব্যবসায়ী, ছিনতাইকারী ও মাদকসেবীদের। দলের ভিতরে বিভেদ বাড়তেই থাকে। শহরের বাইপাস সড়কের পৌর শেখ আমিন উল্যা মার্কেটে উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে রহস্যজনক চুরির ঘটনা ঘটে। কোন মুল্যবান মালামাল খোঁয়া না গেলেও কাগজপত্র ও গুরুত্বপূর্ণ নথি চুরি হয় অফিস থেকে। তারপর থেকে উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যক্রম চলে রামগঞ্জ শহর থেকে সাড়ে ৪ কিলোমিটার দুরে বিএনপি দলীয় সাংসদ ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি নাজিম উদ্দিন আহম্মেদের বাড়ীতে।
বেশ কিছুদিন পর রামগঞ্জ পৌর বিএনপির কমিটিতে চোখ পড়ে তার। এক প্রকার জোর করে পৌর বিএনপির সভাপতি রফিক উল্যা চেয়ারম্যান ও সাধারন সম্পাদক এডভোকেট তোফাজ্জল হোসেন বাচ্চুকে সরিয়ে সেখানে আহবায়ক পদে আনা হয় জাকির হোসেন মোল্লা ও সদস্য সচিব পদে আনা হয় রামগঞ্জ থানা আলমগীর হোসেন মিয়াকে।
তৃণমূল ও ত্যাগি নেতাকর্মীদের মতামত উপেক্ষা করে উপজেলা, পৌর ও ইউপি নির্বাচনে মনোনয়ন দেয়া হয় নিজের পছন্দের লোকজনকে। এ যেন দলের ভরাডুবি তরান্বিত করার আপ্রাণ চেষ্টা।
উল্লেখ্য ২০০১ ইং সনে জিয়াউল হক জিয়া এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর হতে উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সকল পদেই বিএনপি দলীয় প্রার্থীরা বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন। কিন্তু ২০০৮ইং সনে নাজিম উদ্দিন আহম্মেদ এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন পরিষদের সকল নির্বাচনেই বিএনপি অধ্যুষিত স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে বিএনপি প্রার্থীরা জামানত বঞ্চিত হয়েছেন বার বার।
নেতাকর্মীদের অভিযোগ দলের ত্যাগী, যোগ্য ও জনপ্রিয় নেতাদেরকে মনোনয়ন না দেয়ার ফলেই এমন ভরাডুবি।
অভিযোগ রয়েছে বিভিন্ন সময়ে দলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির আগের দিন রাতে অন্য দলের লোককে টাকা দিয়ে নাজিম উদ্দিন আহম্মেদ নিজ বাড়ীতে হামলা ও ককটেল ঘটিয়ে আতঙ্ক ছড়াতো নিজ দলের নেতাকর্মীদের মাঝে। এমনকি দলীয় লোকদের উপরও হামলার করানোর অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
এহেন অবস্থায় চলে দলীয় কার্যক্রম। কোনঠাসা অবস্থায় দলের কোন নেতাকর্মীই এসব ঘটনার প্রতিবাদ করেনি বা করতে পারেনি। অনেকেই প্রবাসে চলে যান বাধ্য হয়ে।
সম্প্রতি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া গ্রেফতার হওয়ার পর উপজেলা বিএনপির কোন নেতাকেই মাঠে দেখা যায়নি। অনেকে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, কক্সবাজার ও সেইন্টমার্টিন ভ্রমনে চলে যায়। বিভিন্ন বিয়ে ও সামাজিক অনুষ্ঠান নিয়েও ব্যস্ত থাকেন কেউ কেউ। নেতাকর্মীরা জানান, আমাদের কোন নির্দেশনা নেই কি করবো। পুলিশের ভয়ে ঘরে থাকা যায় না।
কে এই নাজিম উদ্দিন আহম্মেদ?
নাভানা গ্রুপের তৎকালীন জিএম (চট্টগ্রাম) নাজিম উদ্দিন আহম্মেদ। বর্তমান লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি মোঃ শাহজাহানের শ্যালক। আপাদমস্তক ছিলেন, আওয়ামী ঘরানার লোক।
১৯৯১ইং সনের নির্বাচনে রূপালী ব্যাংক কর্মকর্তা জিয়াউল হক জিয়া ধানেরশীষ প্রতীকে নির্বাচিত হয়ে যখন দলকে উজ্জীবিত করে উপজেলাব্যপী উন্নয়ন কর্মকা- চালিয়ে যাচ্ছেন। তখনি গোপনে বিএনপির একটি অংশকে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিয়ে নিজের কাছে ভিড়িয়ে ৯৬এর ১৫ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী জিয়াউল হক জিয়ার (ধানেরশীষ) বিরুদ্ধে আম প্রতীক (স্বতন্ত্র) নিয়ে স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাকর্র্মীদের নিয়ে একযোগে মাঠে নামেন নাজিম উদ্দিন আহম্মেদ। প্রকাশ থাকে যে উক্ত নির্বাচনে আওয়ামীলীগ নির্বাচন বর্জন করে। এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিপুল পরিমান অস্ত্র আনা হয় চট্টগ্রাম থেকে। ভাড়া করার হয় শীর্ষ সন্ত্রাসীদের। নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসে উপজেলা বিএনপি ও সর্বস্তরের মানুষের মাঝে আশঙ্কা আর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। শুরু হয় বোমা বিষ্পোরন, গুলি আর হামলার ঘটনা। অকালে জীবন চলে যায় ৭জন বিএনপি কর্মীর। পঙ্গুত্ব বরন করে ১৫-২০জন। বিএনপি দলীয় নেতাকর্মীরা সব গা-ঢাকা দেয়। ধানেরশীষ প্রতীকের প্রার্থী জিয়াকে হারিয়ে আম প্রতীকে নির্বাচিত হয় নাজিম উদ্দিন আহম্মেদ।
জনশ্রুতি রয়েছে সে নির্বাচনে ব্যপক ভূমিকা রেখেছেন, নাজিম উদ্দিন আহম্মেদের নিকটাত্মীয় সাবেক আইজিপি ও একজন প্রধান বিচারপতি। যার কারনেই আইনগত কোন জটিলতায় পড়তে হয়নি নাজিম উদ্দিনকে। বিতর্কিত এ নির্বাচনে সংসদের মেয়াদ ছিলো মাত্র কয়েকদিন।
৯৬ইং সনে জিয়াউল হক জিয়া ধানেরশীষ প্রতীকে আওয়ামীলীগ প্রার্থীকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে জয় লাভ করেন। নিজ কর্মস্থলে মনোনিবেশ করেন, নাজিম উদ্দিন আহম্মেদ। ১/১১ তত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা দখল করলে শুরু হয় ধরপাকড়। একটি সূনির্দিষ্ট দলের নেতাকর্মীদের মামলায় গ্রেফতার অব্যাহত থাকে। সাবেক প্রতিমন্ত্রী জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা হয় ডজন খানেক মামলা।
জিয়াউল হক জিয়া গ্রেফতার এড়াতে চলে যান অ্যামেরিকায়। সেখান থেকে খোজ খবর নেন নেতাকর্মীদের। মাইনাস টুন ফর্মূলায় জিয়াউল হক জিয়াকে কৌশলে দলের বাহিরে রাখে দলের একটি সুবিধাভোগী মহল।
১/১১ তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপি থেকে ধানেরশীষ প্রতীকে মনোনয়ন পান নাজিম উদ্দিন আহম্মেদ। আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী নাজিম উদ্দিন আহম্মেদের ভগ্নিপতি শাহজাহানকে ২০হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে নির্বাচিত হন নাজিম উদ্দিন । কিন্তু তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর দলকে সু-সংগঠিত করার পরিবর্তে একের পর এক দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের বহিস্কার, অব্যহতি অব্যাহত থাকে।
এসব ঘটনায় প্রতিবাদ করায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা আবদুর রহিম ভিপি, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সায়েদ আহম্মেদ দাদু ভাই, বিএনপি নেতা ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মনির হোসেন তফাদারসহ পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি সফি আহম্মেদ খোকাকে অব্যহতিসহ করপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান মিন্টুকে বহিস্কার করা হয়। দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের কোন কথাই শুনতো না। বিতর্কিত লোকজন সবসময়ই তার আশে পাশে ঘুরফেরা করতো।
সম্প্রতি সারাদেশে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন করার জন্য ফরম পুরন করতে গিয়ে দলীয় হামলার শিকার হয় মিজানুর রহমান মিন্টু। এছাড়া চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ন সাধারন সম্পাদক বর্তমান কেন্দ্রীয় এলডিপির সিনিয়র যুগ্ন মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিমের বাসায় হামলা ও দলীয় নেতাকর্মীদের মারধর, কেন্দ্রীয় স্বেচ্চাসেবকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াসিন আলীকে উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আতিকুর রহমান রিপন হাজীগঞ্জ ব্রীজের উপর তার গাড়ী বহর আটকিয়ে লাঞ্চিত করা। এছাড়াও ঢাকার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর বিএনপি নেতা হারুন অর রশিদকে দলীয় কার্যক্রমে বাধা দেয়ারও সূনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। আর এসব ঘটনায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি নাজিম উদ্দিন আহম্মেদের পরোক্ষ ইন্ধন রয়েছে বলেও জানালেন ভুক্তভোগী নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবী এহেন পরিস্থিতি থেকে উত্তোরন পেতে হলে বা দলকে এমন বিপর্যয় থেকে রক্ষা করতে রামগঞ্জ উপজেলা বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত অসাংগঠনিকভাবে কোন প্রকার আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে শুধুমাত্র সংবাদপত্রের মাধ্যমে অব্যহতি ও বহিস্কৃত নেতৃবৃন্ধদের দলে ফিরিয়ে নেয়া ও উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন বিএনপির সকল কমিটি ভেঙ্গে দিয়ে সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী গঠনের ব্যবস্থায়ই পূর্বের সুংগঠিতভাবে বিএনপির অবস্থান ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
তবে এসব অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক বিএনপি দলীয় সাংসদ নাজিম উদ্দিন আহম্মেদ জানান, এসব ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও তথ্যহীন। আমাকে হেয় করতেই এসব অভিযোগ আনা হয়েছে। গত দশটি বছরে দলের জন্য আমার শ্রম ঘাম আর নগদ টাকা ব্যয় হয়েছে। নেতাকর্মীদের মামলা হামলায় খরছ করেছি দুই হাতে। এমন মিথ্যা সংবাদে কেউই বিভ্রান্ত হবে না। দলের নেতাকর্মীরা জানে আমি কেমন মানুষ। দল থেকে নিতে আসিনি, দলকে দিয়ে গেছি অকাতরে।

নিউজ: মাহমুদ ফারুক।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•রামগঞ্জে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের বলাৎকার; অভিভাবকগণ আতঙ্কে •রামগঞ্জে রমজান উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত •রামগঞ্জে শান্তিপূর্ন নির্বাচনের দাবিতে প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন •রামগঞ্জে কাউন্সিলরের নেতৃত্বে সম্পত্তি দখল •রামগঞ্জে সাংবাদিকদের সাথে বিআরডিবি চেয়ারম্যান প্রার্থী এমরান হোসেন বাচ্চুর মতবিনিময় •১৩২/৩৩ কেভি গ্রীড উপ-কেন্দ্র স্থাপনে ভূমি অধিগ্রহন: রামগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্থ ভূমি মালিকদের ক্ষতিপূরন আদায়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ •রামগঞ্জে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সন্ত্রাসী দিয়ে সম্পত্তি দখল
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

  • Top
    Untitled Document