Thursday,  Sep 20, 2018   2 PM
Untitled Document Untitled Document
সংবাদ শিরোনাম: •লক্ষ্মীপুরে মাদক ব্যবসায়ীর মুক্তির দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন, বিপাকে শিক্ষক •রামগঞ্জে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের বলাৎকার; অভিভাবকগণ আতঙ্কে •রামগঞ্জে ক্ষুদে মেসি: ৪ ম্যাচে ৯ গোল! •পশুর সাথে শত্রুতা- অল্পের জন্য রক্ষা! •একজন যোগ্য শিক্ষকের হাত ধরে তৈরি হয় একজন সু-নাগরিক...... ড. আনোয়ার হোসেন খাঁন •রামগঞ্জে রমজান উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত •লক্ষ্মীপুরে রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
Untitled Document

শালিশের নামে কালক্ষেপন: মানবেতর অবস্থায় আওয়ামীলীগ কর্মী লোকমান ও তার পরিবার

তারিখ: ২০১৭-১১-১০ ১১:৪৭:১৪  |  ২৭৮ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

রামগঞ্জ, ১০ নভেম্বর: জেলার রামগঞ্জ উপজেলার ৮নং করপাড়া ইউনিয়নের পূর্ব করপাড়া গ্রামের আওয়ামীলীগ কর্মী মোঃ লোকমান হোসেন ও তার পরিবার স্থানীয় শালিসদের এক চোঁখা নীতির কাছে অসহায় হয়ে খোলা আকাশের নিছে বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোন সুবিচার না পেয়ে এক প্রকার মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন।
বাবার আমলের ভাঙ্গা বসতঘর মেরামত করতে গিয়েও দীর্ঘদিন পর্যন্ত সে ঘর মেরামত করে বসবাস করা সম্ভব হয়নি লোকমান হোসেন ও তার পরিবারের।
সুত্রে জানায়, ভুক্তভোগী ওই করপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ কর্মী লোকমান হোসেনের বাবা সরকারি চাকরির সুবাদে দীর্ঘ দিন রামগঞ্জ ছেড়ে শহরেই বসবাস করে আসছেন দীর্ঘসময়।
বাড়ীতে কেউ না থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়ে তার চাচা মজিবুল হক বাড়ির সম্পতি ভোগ দখল করে আসছিল। ২০১৫ সালে বাবার আমলের তৈরিকতৃ পুরাতন ও ভাঙ্গা বসতঘরটি ভেঙ্গে সেমিপাকা ঘর তৈরি করার প্রস্তুতি নিলে চাচাতো ভাই ইব্রাহিম বিল্ডিং তৈরি ও প্রয়োজনীয় মালামাল তার কাছ থেকে ক্রয় করার জন্য জানান।
পরবর্তি সময়ে নিজের পছন্দমতো লোক দিয়ে ঘরের কাজ শুরু করলে চাচা ইব্রাহীম উক্ত সম্পত্তিতে নিজের সম্পত্তি আছে দাবী করে কাজে বাঁধা প্রদান করে।

বিষয়টি সাবেক ইউপি সদস্যের উপস্থিতিতে স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার চেষ্টা করার এক পর্যায়ে সে কোন চাচা ইব্রাহীম মিয়া কোন কাগজ পত্র না দেখিয়ে স্থানীয় সালিশ আলী আহম্মদ ও আবদুল মালেক  উক্ত সম্পত্তিতে ঘর নির্মান বাঁধা দেয়। এবং শালিস শেষ না হওয়া পর্যন্ত নির্মান কাজ বন্ধ রাখার আদেশ দেয়। বিগত দুই বছর পর্যন্ত শালিস বৈঠকের নামে চলে নানান টালবাহানা।
এ ব্যপারে আদালত পর্যন্ত গড়ালে উভয় পক্ষের কাগজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ক্ষতিগ্রস্থ ও বিচারপ্রার্থী লোকমান ২২৬৬ দাগে বাড়িতে ১৮ শতাংশের মালিক। অভিযোগকারী ইব্রাহিম মাত্র ৬ শতাংশের মালিক, ২.৫০ শতাংশের মালিক লোকমানের ফুফুদের।
চাচা ইব্রাহীম , খোকন ও সহিদ উল্যা বিচারপ্রার্থী লোকমানের নিকট দাবীকৃত জমির পরিবর্তে বিভিন্ন দাগে প্রায় ১৩.৬৬ শতাংশ জমি উল্টো পাওনা হয়।
লোকমানের ২২৬৫ দাগেও খরিদকৃত ৭শতাংশ জমি ইব্রাহিম গংরা জোর দখল করে ভোগ করছে বিভিন্ন সময়ে।
বিষয়টি বুঝতে পেরে সালিশগণ কোন সমাধান না দিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। এ ঘটনার দীর্ঘদিন পর লোকমান হোসেন বসতঘরটির স্থানে পাকা বিল্ডিং করার চেষ্টা করলে ইব্রাহিম গংরা ভুক্তভোগী পরিবারের বিরুদ্ধে করপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে ৩০/৪/২০১৬ তারিখে মামলা করে ঘরের কাজ বন্ধ করে দেয়। মামলা নং ১৮/১৬। ইউনিয়ন পরিষদে পরপর ১০ বার সালিশ বৈঠক হয়, সালিশে সিদ্ধান্ত হয় বাদী ২২৫৯ দাগে ভুক্তভোগী লোকমানকে ১৮.৬৬ শতাংশ জমি ও রাস্তা বাবদ ২ শতাংশ মোট ২০.৬৬ শতাংশ জমি ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় লোকমানের পরিবার।
ক্রয়কৃত ২২৬৫ দাগে ৭শতাংশ জমির মালিকানাও বাদী ছেড়ে দেয়ার কথা জানান শালিশদের। এ ঘটনার সাতদিন পর আবারো বিবাদীগণ রায় না মানার ঘোষণা দিলে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মজিবুল হক উকিল নিয়োগ করে চুড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন। কিন্তু অধ্যাবদি উক্ত রায়ের বাস্তবায়ন না হওয়ায় এবং অজ্ঞাত কারনে চেয়ারম্যান তা সমাধানে কালক্ষেপন করায় ঘর তৈরির ইট, কংকর  নষ্ট হয়ে বর্তমানে আর্থিক ক্ষতির সম্মুক্ষিন হয়। সম্প্রতি লোকমান হোসেনের  পিতা সামছুল হক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
অজ্ঞাত কারনে এবং মোটা অংকের টাকার কাছে জিম্মি হয়ে যায় স্থানীয় শালিসগন।  ভুক্তভোগীকে ঘর নির্মানে বাধা অব্যহত রাখে।
আজ প্রায় দুই বছর ভুক্তভোগী লোকমান হোসেন পরিবারের সদস্য, বিধবা মা, স্ত্রী, সন্ত্রানদের নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করিতেছি।
দীর্ঘ দিন যাবত সালিশের নামে আর্থিক, মানসিক হয়রানিতে লোকমান পরিবার প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষতির সম্মুখীনে পড়েছি।
এই বিষয়ে লোকমানের পরিবার বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে, প্রধানমন্ত্রী, সাংসদ লায়ন এম,এ আউয়াল, রামগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্ধ, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক, লক্ষ্মীপুর জেলার পুলিশ সুপার, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও রামগঞ্জ থানার পুলিশ প্রশাসন সহ জেলার মানবাধিকার সংস্থার কাছে সুষ্ঠ বিচার দাবী চেয়ে আকুল আবেদন জানিয়েছেন।
এ ব্যপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মজিবুল হক মজিবের সেলফোন নম্বরে বার বার কল দেয়ার পরও মোবাইল বন্ধ পাওয়ায় কোন কথা বলা যায়নি।
নিউজ: এডমিন।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•রামগঞ্জে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের বলাৎকার; অভিভাবকগণ আতঙ্কে •রামগঞ্জে রমজান উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত •রামগঞ্জে শান্তিপূর্ন নির্বাচনের দাবিতে প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন • রামগঞ্জ উপজেলা বিএনপি: একের পর বহিস্কার অব্যহতি কোনঠাসা তৃণমূল •রামগঞ্জে কাউন্সিলরের নেতৃত্বে সম্পত্তি দখল •রামগঞ্জে সাংবাদিকদের সাথে বিআরডিবি চেয়ারম্যান প্রার্থী এমরান হোসেন বাচ্চুর মতবিনিময় •১৩২/৩৩ কেভি গ্রীড উপ-কেন্দ্র স্থাপনে ভূমি অধিগ্রহন: রামগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্থ ভূমি মালিকদের ক্ষতিপূরন আদায়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ •রামগঞ্জে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সন্ত্রাসী দিয়ে সম্পত্তি দখল
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

  • Top
    Untitled Document