Thursday,  Sep 20, 2018   3 PM
Untitled Document Untitled Document
সংবাদ শিরোনাম: •লক্ষ্মীপুরে মাদক ব্যবসায়ীর মুক্তির দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন, বিপাকে শিক্ষক •রামগঞ্জে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের বলাৎকার; অভিভাবকগণ আতঙ্কে •রামগঞ্জে ক্ষুদে মেসি: ৪ ম্যাচে ৯ গোল! •পশুর সাথে শত্রুতা- অল্পের জন্য রক্ষা! •একজন যোগ্য শিক্ষকের হাত ধরে তৈরি হয় একজন সু-নাগরিক...... ড. আনোয়ার হোসেন খাঁন •রামগঞ্জে রমজান উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত •লক্ষ্মীপুরে রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
Untitled Document

রামগঞ্জের রাজনীতির হালচাল, আওয়ামীলীগ: ভাইয়ের রাজনীতির কবলে আওয়ামীলীগ, সাড়ে ৪মাসেও হয়নি পূর্ণাঙ্গ কমিটি

তারিখ: ২০১৭-১০-২৩ ১৩:৫২:১১  |  ৩১৩ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

মাহমুদ ফারুক, ২৩ অক্টোবর: ভাইয়ের রাজনীতি, নেতার রাজনীতি, পছন্দের রাজনীতি অতঃপর স্থানীয় সাংসদ সমর্থকদের পৃথক ভালোবাসার কবলে পড়ে জেলার রামগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে দেখা দিয়েছে চরম দ্বিধাবিভক্তি। কেউ অমুক ভাই কেউ-বা তমুক ভাই। সুবিধাভোগী নেতারা এতে লাভভান হলেও তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের মাঝে দেখা দিয়েছে চরম হতাশা। উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনের পূর্বে ভাইয়ের রাজনীতি চরম আকার ধারন করলেও সম্মেলনের ছক উল্টে গেলে রাতারাতি এসব নেতাকর্মীরা ভোল পাল্টে হয়ে গেছেন, যে দিকে পাল্লা ভারী তার কর্মী। ব্যানার ফেস্টুনে সয়লাভ হয়ে গেছে উপজেলার প্রত্যেকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। শুভেচ্ছা সম্বলিত ব্যানার পোষ্টারে ছেয়ে গেছে পূরো উপজেলা। সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দলের সুবিধাভোগী বেশ কিছু নেতা জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সপিকুল ইসলাম, বিশিষ্ট আইনজীবি ও বর্তমান সভাপতি অ্যাডভোকেট সফিক মাহমুদ পিন্টু, আনোয়ার খাঁন মর্ডাণ মেডিকেল কলেজ হসপিটালের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন খাঁন, সাবেক সভাপতি ও জেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ শাহাজাহান সমর্থনে পৃথক পৃথক সভা-সেমিনার, মিছিল ও সমর্থিত নেতাদের সভাপতি পদে দেখার জন্য কাউন্সিলরদের ভোট প্রার্থনা সম্বলিত ব্যানার পোষ্টারে শুভেচ্ছা। এমনকি সম্মেলনের দিনও রামগঞ্জ শিশুপার্কে আয়োজিত স্মরনকালের সমাবেশে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সমর্থন পেতে আলাদা আলাদা করে মিছিল। চলতি বছরের ১৫ জুলাই প্রায় ১৪ বছর পর বহু কাঠ খড় পুড়িয়ে এবং দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মাহাবুবুল আলম হানিফ জেলা ও উপজেলা নেতৃবৃন্দদের সাথে নিয়ে রামগঞ্জ জিয়া অডিটোরিয়ামে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট সফিক মাহমুদ পিন্টুকে সভাপতি ও সাবেক সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আ.ক.ম রুহুল আমীনকে সাধারন সম্পাদক করে এবং আনোয়ার খাঁন মর্ডাণ মেডিকেল কলেজ হসপিটালের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন খাঁনকে সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দেওয়ান বাচ্চুকে যুগ্ন সম্পাদক করে কমিটি ঘোষণা দিয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগে চমক উপহার দেয়া হয়।
দীর্ঘ ১৪ বছর পর সৎ-একনিষ্ঠ ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইনজীবি অ্যাডভোকেট সফিক মাহমুদ পিন্টুকে সভাপতি করে চারজনের নাম ঘোষনা করে উপজেলা কমিটি ঘোষণা দেয়া হলেও দ্বিধাবিভক্তি ও  কোন্দলের কারণে দীর্ঘ চার মাসেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি করা যায়নি। এমনকি দলের পক্ষ থেকে নব-নির্বাচিত কমিটিকে বড় কোন সংবর্ধণাও দেয়া হয়নি। পৃথক পৃথকভাবে অ্যাডভোকেট সফিক মাহমুদ পিন্টুর বাসভবনে দলের একটি অংশ ফুলের তোড়া দিয়ে বরন ও শুভেচ্ছা জানালেও সাধারন সম্পাদক আ.ক.ম রুহুল আমীন চলে যান হজ্ব পালন করতে।
এদিকে সাবেক সভাপতি মোঃ শাহাজাহান নতুন কমিটিতে না থাকার কারনে দলের একটি সুবিধাভোগি অংশ কৌশলে বর্তমান সভাপতি সফিক মাহমুদ পিন্টু ও সিনিয়র সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন খানের কাছে ধর্ণা দেয়। রাতারাতি উপজেলার শহরে টানানো পূর্বের ব্যানার ফেস্টুন সরিয়ে ফেলে। গোপনে জেলা কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি সপিকুল ইসলাম ও সাবেক সভাপতির সাথে সখ্যতাও বজায় রাখেন কেউ কেউ।
অনেকটা উপরে ফিটপাট ভিতরে সদরঘাঁট টাইপের।
এতে গভির সংকট নিয়ে খ্ুঁড়িয়ে খ্ুঁড়িয়ে চলছে ক্ষমতাশীন দলের  সাংগঠনিক কার্যক্রম।
কমিটি ঘোষনার কয়েকদিন পর সভাপতি শফিক মাহমুদ জাতীয় শোক দিবস পালনের প্রস্ততি সভায় ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি-সাধারন সম্পাদকসহ  সকল নেতাকর্মীদের আমন্ত্রন করেন। কিন্তু সাবেক সভাপতি মোঃ শাহজাহান সমর্থিত ভোলাকোট ইউপি চেয়ারম্যান বশির উদ্দিন মানিক ও ভাটরা ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মিঠু ও অল্প কিছু নেতা-কর্মী ছাড়া কেউ উপস্থিত হন নাই।
দলের এহেন পরিস্থিতিতে ১৫ আগষ্টের প্রস্তুতি সভায় যারা উপস্থিত হয়নি তাদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শনোর ঘোষনা দিয়ে ঢাকা চলে যান সদ্য নির্বাচিত সভাপতি।
দুইদিন পর সদ্য নির্বাচিত সিনিয়র সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন খাঁন রামগঞ্জ আসলে তাকে সংবর্ধনা দিতে রামগঞ্জ জিয়া অডিটোরিয়ামে আয়োজন করা হয় বিশাল সংবর্ধণা সভার। আট ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও তৃনমূলের কয়েক হাজার নেতা-কর্মী জড়ো হয়। বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নেতাকর্মীরা শুভেচ্ছাসম্বলিত ব্যানার নিয়ে স্বাগত মিছিল জানিয়ে ফুলেল সংবর্ধণা প্রদান করেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন খাঁনকে।
নতুন করে দেখা দেয়া বিভক্তি।
ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কয়েকজন সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক জানান,  রামগঞ্জ আওলীগে এক পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সভাপতি  শফিক মাহমুদ পিন্টু সাথে আছেন স্থানীয় সংসদ ও তরিকত ফেডারেশনের মহাসচিব লায়ন এম এ আউয়াল। দু:খ্যজনক বিষয় হল রামগঞ্জে তরিকতের কোন নেতাকর্মী বা সাংগঠনিক কার্যক্রম না থাকলেও আওয়ামীলীগের কৃপায় এম এ আউয়াল এমপি নির্বাচিত হয়।
তিনি এমপি হওয়ার পর তৎকালিন ওসির মাধ্যমে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের মামলা দিয়ে চরম হয়রানী করা হয়। ঐতিহ্যবাহি এ দলটির একটি অংশকে কৌশলে সুযোগ সুবিধা প্রদান করে উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী দিয়ে ওয়ার্ড থেকে উপজেলা পর্যন্ত তরিকতের কমিটি গঠন করে। বিষয়টি বর্তমান সিনিয়র সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন খাঁন দলের হাই কমান্ডে জানানোর পর নড়েচড়ে বসে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ। প্রশাসনের সর্বস্তরে ব্যপক রদবদল করা হয়।
আনোয়ার খাঁনের কৌশলী নেতৃত্বে পৌরসভা নির্বাচন, ইউনিয়ন পরিষদ নিবাচনে আওয়ামী লীগের সকল প্রার্থী জয়যুক্ত হয়। নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টি করতে দশ বছর পর ছাত্রলীগের কমিটি, ৮ বছর পর যুবলীগের কমিটি, ৭ বছর পর স্বেচ্চাসেবকলীগের নতুন কমিটি গঠনে ব্যপক ভূমিকা রাখেন।   
ইউনিয়ন পরিষদের ৩নম্বর ভাদুর ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদ হোসেন ভূইয়া, ৭নম্বর দরবেশপুর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, ৪নম্বর ইয়াপুর ইউপি চেয়ারম্যান শহিদ উল্যাহ জানান, রামগঞ্জের অনেক প্রভাবশালি নেতা তৃনমলের খোজ খবর না রেখে ঢাকায় বসবাস করে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন লাভের জন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের পিছে পিছে ঘুরে। সবাই নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত। এমপি মনোনয়ন পেতে গ্রুপি-লবিং অব্যাহত রাখে অথছ দলের কর্মকান্ডে কোন খোজ রাখেন না বললেই চলে। তৃণমূল নেতাসহ অসুস্থ্য নেতাদের কোন খবরও নেন না তারা।
আনোয়ার হোসেন খান তৃনমুলের পাশে থেকে দলকে সুসংগঠিত করতে তার ব্যাক্তিগত তহবিল থেকে বিগত কয়েক বছরে কয়েক কোটি টাকা খরছ করেছেন এবং তা এখনো অব্যাহত আছে। তিনি নেতা-কর্মীসহ সাধারন মানুষের সব সময় খোঁজ খবর নেন। দলের বেশ কিছু অসুস্থ্য ও পক্ষাখাতগ্রস্থ নেতাকর্মীসহ বিগত জোট সরকারের আমলে মামলা হামলার শিকার নেতাকর্মীদের পাশে দাঁিড়য়েছেন। এমনকি উপজেলার প্রায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, দাতব্য প্রতিষ্ঠান, যৌতুক ছাড়া বিয়েসহ অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর কারনে দলের অধিকাংশ নেতাকর্মীরা বর্তমানে তার পক্ষে অবস্থান নিলে দলের চাটুকার একটি অংশ কোনঠাসা হয়ে যায়। তারাও ঘুর ঘুর করতে থাকে সকল নেতার চাটুকারিতা ছেড়ে। ঝুকে পড়ে পাল্লা ভারী করে।
এদিকে সদ্য বিদায়ী সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ শাহাজাহান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শামসুল ইসলাম মারা যাওয়ার কারনে অনেকটা নাটকীয়তার মধ্যে দিয়ে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। আবার শুরু হয় সংবর্ধণা। সুবিধাভোগী অধিকাংশ নেতাকর্মী ঝোপ বুঝে কোপ মারতে কাতারে কাতারে হাজির হয় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের টেবিলে। এসব নেতাকর্মীরা তাকে জানান, এবারই শেষ সুযোগ। যেহেতু আপনি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন, আর মাত্র একটা বাধা। আগামী নির্বাচনে আপনার মনোনয়ন ঠেকায় কে? ব্যানার ফেস্টুনে ছেয়ে যায় জেলা থেকে উপজেলা পর্যায়ে।
অপরদিকে বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব লায়ন এম এ আউয়াল জোটগত কারনে অত্র আসন থেকে নৌকায় ভর করে তরী পার করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় দলের আরেকটি অংশের সাথে তার রয়েছে দহরম মহরম। সে-সময় দলের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে দলের আরেকটি অংশের সমর্থনে আনারস প্রতীকে নির্বাচন করেন জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি। সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর বিভিন্ন কর্মকান্ডের কারনে আওয়ামীলীগ ও এমপির মাঝে দেখা দেয় বিশাল দুরুত্ব। রাস্তাঘাট, পুলকালভার্ট ও অবকাঠামোগত কোন উন্নতি না হওয়ায় সাধারন মানুষ চরম ক্ষিপ্ত সাংসদ এম এ আউয়ালের উপর। আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরাও বিভ্রত সাধারন মানুষের ক্ষোভের কথা জেনে। সম্প্রতি আইনশৃংঙ্খলা সভায় অত্র আসনের সাংসদ লায়ন এম এ আউয়াল উপজেলা আইনশৃংঙ্খলার চরম অবনতির কথা জানিয়ে গণশুনানির ঘোষণা দিয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানদের সমর্থন আদায়ে ব্যর্থ হন। এছাড়াও তিনি জানান, চলতি সংসদের মেয়াদে উপজেলাব্যপি ১হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে রাস্তাঘাট, স্কুল কলেজ, পুলকালভার্ট, বিদ্যুত কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। সংসদ সদস্যের এমন বক্তব্যে দলীয় নেতাকর্মীরা চরম ক্ষোভ প্রকাশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ব্যপক সমালোচনা করেন।
এছাড়াও টি-আর, কাবিখায় হরিলুট, সোলার প্যানেলসহ সরকারী সুযোগ সুবিধা থেকে নেতাকর্মীদের বঞ্চিত করার কারনেও চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেক নেতাকর্মী।
জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সপিকুল ইসলাম সম্মেলনের পর চার-পাঁচবার এলাকায় আসলেও দলীয় নেতাদের সাথে দুরুত্ব বজায় রাখছেন বলে জানা যায়। সমর্থিত নেতাকর্মীরা জানান, দলের দূর্দিনে সপিকুল ইসলাম আমাদের কাছে ছিলেন, সবসময়ই খোজ খবর রাখতেন। নেতাকর্মীদের বিপদেও তিনি কখনো পিছপা হয়নি। দলের ভিতর ও বাহিরে তার ব্যপক জনপ্রিয়তা অনেকের ইর্ষার কারন। উনাকে বার বার বঞ্চিত করা হয়েছে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন খান জানান, আমাদের মধ্যে কোন বিরোধ নেই। আমি সবার সাথে মিল রেখে আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করতে চাই। রামগঞ্জকে আওয়ামী লীগের দূর্গ বানাতে চাই। আমি সে লক্ষ্যেই কাজ করছি। মাঠেঘাঁটে চষে বেড়াচ্ছি। আগামী নির্বাচনে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত ইনশাল্লাহ।
উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিক মাহমুদ পিন্টু বলেন, আওয়ামী লীগ একটি বড় দল। এখানে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা থাকবেই। আর অচিরেই পূনার্ঙ্গ কমিটি করে দলকে সক্রিয় করা হবে। সে লক্ষে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। দলে কোন বিভক্তি নেই। পৌর মেয়র ও পৌর আ্ওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল খায়ের পাটওয়ারী ও সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পবিত্র হজ্ব পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যাওয়ার কারনে খানিকটা দেরি হয়েছে।
নিউজ: মাহমুদ ফারুক।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•কমলনগরে জেএসডি’র প্রতিনিধি সভা •আলহাজ্ব রোটারিয়ান মোঃ শোয়ায়েব হোসেন (সখা)র কিছু কথা •রামগঞ্জে ঐক্যবদ্ধ আওয়ামীলীগ নিয়ে ষড়যন্ত্র মেনে নেয়া হবে না ....সাবেক কয়েকজন ছাত্রনেতা •রামগঞ্জে আওয়ামীলীগের বিজয় মিছিল ও সমাবেশ •দলের নিবেদিত প্রান নেতা শামসুল হক মিজানকে পদে দেখতে চান নেতাকর্মীরা •রামগঞ্জে বিএনপির ১ ডজন সিনিয়র নেতার বহিস্কারে কোনঠাসা বিএনপি-পদবী বঞ্চিত অনেকেই •রামগঞ্জে করপাড়া বিএনপির সভাপতিকে অব্যহতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

  • Top
    Untitled Document