Tuesday,  Dec 11, 2018   05:36 AM
Untitled Document Untitled Document
সংবাদ শিরোনাম: •লক্ষ্মীপুরে মাদক ব্যবসায়ীর মুক্তির দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন, বিপাকে শিক্ষক •রামগঞ্জে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের বলাৎকার; অভিভাবকগণ আতঙ্কে •রামগঞ্জে ক্ষুদে মেসি: ৪ ম্যাচে ৯ গোল! •পশুর সাথে শত্রুতা- অল্পের জন্য রক্ষা! •একজন যোগ্য শিক্ষকের হাত ধরে তৈরি হয় একজন সু-নাগরিক...... ড. আনোয়ার হোসেন খাঁন •রামগঞ্জে রমজান উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত •লক্ষ্মীপুরে রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
Untitled Document

মৃত্যুর আগে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পেতে চায় রামগঞ্জের নুরুল হক খোকা পাটোয়ারী

তারিখ: ২০১৭-০২-০৯ ১৬:১৮:০৩  |  ১২০৩ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

রামগঞ্জ, ৯ ফেব্রুয়ারি :  স্বাধীনতার ৪৫ বছর পার হলেও অদ্যাবধি মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবনবাজি রেখে যুদ্ধ করলেও  স্বীকৃতি পায়নি লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ভাটরা ইউপির জয়দেবপুর গ্রামের নুরুল হক খোকা  পাটোয়ারী । তিনি ১৯৭১ সালে জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ শুনে উজ্জিবিত হয়ে স্বাধীনতা ঘোষনার সাড়া দিয়ে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন। স্বাধীনতার পর অধ্যাবদি রাষ্ট্রীয় কোন সুযোগ সুবিধা ও মুক্তিযুদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পায়নি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সাদাসিধে ও স্বল্প শিক্ষিত হওয়ায় জীবিকার তাগিদে স্বাধীনতার পর পরই তিনি খুলনা খালিশপুর শহরে একটি প্রেসে বাইন্ডিং কাজ করে পরিবারের ৬ সদস্যর নিয়ে অর্ধনারে দিনাতিপাত করছে।
তিনি ১৯৭১ সালে জুন মাসে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করেন। প্রথম প্রহরে পানিয়ালা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রশিক্ষন গ্রহন করে তৎসময়ে প্রশিক্ষক ছিলেন  উপজেলার ডোমনদী গ্রামের হাবিলদার ফজলুল হক ও নূরুল হক। দ্বিতীয় প্রশিক্ষন গ্রহন করে চাঁদপুর জেলার হাজি গঞ্জ উপজেলার অলিপুর গ্রামের প্রশিক্ষক জহিরুল পাঠানের নেতৃত্বাধীন লাকসাম উপজেলার  হাসনাবাদ নামক স্থানে। ২নং সেক্টর কমান্ডার প্রশিক্ষক কর্নেল হুদা ও সেক্টর কমান্ডার কর্নেল হায়দারের নেত্বাধীন তৃতীয় প্রশিক্ষন চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার  নুরিংপুর গ্রামে প্রশিক্ষন শেষ করে। তিনি আরো জানান কমান্ডার আলী আকবর,সুবেদার তোফাজ্জল হোসেন ও পানিয়ালা হাই স্কুলের অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাহজান মাষ্টারের নেতৃত্বে যুদ্ধে অংশ গ্রহন করেন। যুদ্ধকালীন সময়ে তিনি জেলার রামগঞ্জ উপজেলা, চাদঁপুর জেলার শাহরাস্তি, হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি স্থানে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন।
তিনি জানান, যুদ্ধকালীন সময়ে তার বাড়িতে মুক্তিযুদ্ধাদের অস্থায়ী ক্যাম্প ছিল। পানিয়ালা যুগী বাড়ির এ ক্যাম্পে মুক্তিযোদ্ধারা রাতে অবস্থান করতেন।  চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার নরিংপুর থেকে ওই সড়কে পাকহানাদার বাহিনীরা পানিয়ালা বাজারে একাধিকবার হামলা চেষ্টা চালায়। এ সময়ে তিনিসহ ক্যাম্পে লুকিয়ে থাকা মুক্তিযোদ্ধারা আশপাশের ঝোঁপ জঙ্গলে গিয়ে পাকবাহিনীর আক্রমন  প্রতিহত করেন। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করেও অধ্যাবদি মুক্তিযুদ্ধের স্বীকৃতি পায়নি।
বর্তমানে যাছাই-বাছাই তালিকায় তার নাম রয়েছে। তিনি আশাবাদী মৃত্যুর আগে মুক্তিযুদ্ধে স্বীকৃতি পাবে।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•রামগঞ্জে ক্ষুদে মেসি: ৪ ম্যাচে ৯ গোল! •পশুর সাথে শত্রুতা- অল্পের জন্য রক্ষা! •রামগঞ্জে প্রানে হত্যার ভয় দেখিয়ে স্ত্রী বড় বোনকে ধর্ষণ; স্বামী পরিত্যক্তা আয়েশা ঘুরছেন দ্বারে দ্বারে •এমপি আউয়ালকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি! •আইসক্রীম খাওয়ার লোভ দেখিয়ে ধর্ষণ শেষে শিশু নুশরাত হত্যা; মূল হত্যাকারী রুবেল আটকসহ আটক ২ •একমাত্র মেয়ের চিকিৎসায় ঘরভিটি বিক্রি করলেন রিক্সাচালক বাবা •লক্ষ্মীপুরে দূর্যোগ প্রশমন দিবসে র‌্যালী •লক্ষ্মীপুরে মুনছুর আহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

  • Top
    Untitled Document