Thursday,  Sep 20, 2018   2 PM
Untitled Document Untitled Document
সংবাদ শিরোনাম: •লক্ষ্মীপুরে মাদক ব্যবসায়ীর মুক্তির দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন, বিপাকে শিক্ষক •রামগঞ্জে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের বলাৎকার; অভিভাবকগণ আতঙ্কে •রামগঞ্জে ক্ষুদে মেসি: ৪ ম্যাচে ৯ গোল! •পশুর সাথে শত্রুতা- অল্পের জন্য রক্ষা! •একজন যোগ্য শিক্ষকের হাত ধরে তৈরি হয় একজন সু-নাগরিক...... ড. আনোয়ার হোসেন খাঁন •রামগঞ্জে রমজান উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত •লক্ষ্মীপুরে রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
Untitled Document

রামগঞ্জে ধর্ষন চেষ্টা ধামাচাপা দিতে সংখ্যালঘুর উপর হামলার মিথ্যা অভিযোগ

তারিখ: ২০১৬-১০-১৮ ১৯:৩৯:০২  |  ৮৩৮ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

নিজস্ব প্রতিবেদক: হিন্দু ধর্মালম্বিদের লক্ষ্মীপূজার দিন রাতে এক মুসলমান গৃহবধূকে ধর্ষন করতে গিয়ে মিঠুন চন্দ্র দে নামক এক হিন্দু যুবক গণধোলাইয়ের শিকার হয়ে রামগঞ্জ থানায় উল্টো সংখ্যালঘু পরিবারের উপর মিথ্যা হামলার অভিযোগ দিয়েছে বাবুল চন্দ্র দে। ঘটনাটি ঘটেছে গত শনিবার রাতে রামগঞ্জ উপজেলার ৫নম্বর চন্ডিপুর ইউনিয়নের চাঙ্গিরগাঁও গ্রামের রাম চন্দ্র দে’র বাড়ীতে।
স্থানীয় সূত্রে ও এলাকাবাসীরা জানান, ১৯৭৯ ইং সনে চাঙ্গিরগাঁও গ্রামের রাম চন্দ্র দে’র বাড়ীতে সম্পত্তি ক্রয় করে বসবাস করে আসছেন হারেছ মিয়া। দীর্ঘ সময়ে উভয় পরিবারের মাঝে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় থাকলেও গত বছর খানেক পূর্বে হারেছ মিয়ার ছেলে মোঃ রাসেল বিয়ে করলে রাসেলের স্ত্রী শান্তি আক্তারের উপর কু-নজর দেয় একই বাড়ীর বাবুল চন্দ্র দে’র বখাটে সন্তান মিঠুন চন্দ্র দে’র। সম্প্রতি রাসেল বিদেশ চলে যাওয়ার সুযোগে মিঠুন চন্দ্র দে’ বিভিন্ন সময়ে গৃহবধূ শান্তি আক্তারকে কু-প্রস্তাবসহ মোবাইলে উত্যক্তের মাত্রা আরো বাড়িয়ে দেয়।
বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য লোকজনসহ মিঠুনের বাবাকে জানানো হলে মিঠুনকে অন্যত্রে চলে যাওয়ার জন্য শালিসি বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়। বেশ কয়েকদিন মিঠুন বাড়ীর বাহিরে থাকলেও শনিবার (১৫ অক্টোবর) রাতে মিঠুন চন্দ্র দে লক্ষ্মীপূজার কারনে বাড়ীতে আসে। লক্ষ্মীপূজার অনুষ্ঠান চলাকালে রাত সাড়ে ৯টায় বাড়ীর হারেছ মিয়ার ছেলে রাসেলের স্ত্রী শান্তি আক্তার এশার নামাজ পড়ে প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দিতে বসতঘরের বাহিরের টয়লেটে যাওয়ার সময় আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা বখাটে মিঠুন চন্দ্র শান্তি আক্তারের মুখ ছাপা দিয়ে অন্যত্র নেয়ার চেষ্টা করলে শান্তি আক্তার তার হাত থেকে রেহাই পেতে চিৎকার দিলে মিঠুন দৌড়ে পালিয়ে যায়। শান্তির আত্মচিৎকারে দ্রুত ঘর থেকে বের হয়ে আসেন শান্তি আক্তারের শাশুড়ি ফেরদৌসি বেগম। ঘটনাটি জেনে শাশুড়ি ফেরদৌসি বেগম পাশ্ববর্তি মিঠুনের ঘরে গিয়ে তার মা অসিমা রানী দে’কে ঘটনাটি জানিয়ে বাড়ীর লোকজনকে জড়ো করে। খবর পেয়ে স্থানীয় মসজিদ থেকে শান্তি আক্তারের শশুর হারেছ মিয়াসহ মসজিদের মুসুল্লিরা ছুটে আসেন ঘটনাস্থলে। এসময় মিঠুনের বাবা বাবুল চন্দ্র দে, ছেলে মিঠুন লোহার রড নিয়ে ঘর থেকে বের হলে উত্তেজিত জনতা মিঠুন চন্দ্র দে কে গণধোলাই দিয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন ভূইয়াকে অবহিত করে। কামাল হোসেন ভূইয়া ঢাকায় থাকার কারনে তাদেরকে মামলা করার পরামর্শ দেয়।
রাতেই শান্তি আক্তার রামগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগ এনে রামগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
এদিকে ধর্ষন চেষ্টার ঘটনাটিকে ধামাচাপা দিতে মিঠুনের বাবা বাবুল চন্দ্র দে সংখ্যালঘু পরিবারকে গ্রাম ছাড়া, পূজা করতে বাধা প্রদানের অভিযোগ এনে রামগঞ্জ থানায় আরেকটি পাল্টা অভিযোগ দায়ের করলে সোমবার সকালে রামগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ তোতা মিয়া, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান পরিষদের সভাপতি অপূর্ব কুমার সাহা, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন ভূইয়া ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়ভাবে স্বাক্ষ্যপ্রমান গ্রহন করেন।
এসময় শান্তি আক্তার তাদেরকে ঘটনার বিবরন দিলে সোমবার রাতে রামগঞ্জ থানায় আসার জন্য উভয় পক্ষকে মৌখিকভাবে জানানো হয়।
এব্যপারে উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি অপূর্ব কুমার সাহা সাংবাদিকদের জানান, ঘটনার একদিন পর মিঠুনের বাবা বাবুল চন্দ্র দে আমাকে ঘটনাটি অবহিত করেন। তাছাড়া বিষয়টি প্রেমঘটিত কারনে হয়েছে, এখানে সংখ্যালঘু পরিবারের উপর হামলার ঘটনাটি সত্য নয়।
ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন ভূইয়া জানান, আমি বিষয়টি জেনে তাদেরকে ঢাকা থেকে এসে সমাধান করার কথা বলার পর হারেছ মিয়া থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন। যতদুর জেনেছি পূর্বের ঘটনার জের ধরে মিঠুন মারধরের শিকার হয়েছে, অন্য কিছু না।
রামগঞ্জ সরকারী কলেজের সাবেক জি এস ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ন আহবায়ক নজরুল ইসলাম জানান, বাবুল চন্দ্র দে ঘটনাটি ভীন্নখাতে প্রবাহিত করতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের পায়তারা করছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিতর্কিত করতে বাবুল দে’র কোন অপচেষ্টা সফল হবে না।
রামগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ তোতা মিয়া জানান, আমি দুইটি অভিযোগ পেয়েছি। উভয়পক্ষকে থানায় আসতে বলেছি। উভয় পরিবারকে পক্ষ থেকে ভালো একটা সমাধান করে দিলে কোন পক্ষই মামলা করবেনা বলে জানিয়েছেন।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•রামগঞ্জে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের বলাৎকার; অভিভাবকগণ আতঙ্কে •রামগঞ্জে রমজান উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত •রামগঞ্জে শান্তিপূর্ন নির্বাচনের দাবিতে প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন • রামগঞ্জ উপজেলা বিএনপি: একের পর বহিস্কার অব্যহতি কোনঠাসা তৃণমূল •রামগঞ্জে কাউন্সিলরের নেতৃত্বে সম্পত্তি দখল •রামগঞ্জে সাংবাদিকদের সাথে বিআরডিবি চেয়ারম্যান প্রার্থী এমরান হোসেন বাচ্চুর মতবিনিময় •১৩২/৩৩ কেভি গ্রীড উপ-কেন্দ্র স্থাপনে ভূমি অধিগ্রহন: রামগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্থ ভূমি মালিকদের ক্ষতিপূরন আদায়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ •রামগঞ্জে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সন্ত্রাসী দিয়ে সম্পত্তি দখল
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

  • Top
    Untitled Document