Tuesday,  Nov 20, 2018   5 PM
Untitled Document Untitled Document
সংবাদ শিরোনাম: •লক্ষ্মীপুরে মাদক ব্যবসায়ীর মুক্তির দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন, বিপাকে শিক্ষক •রামগঞ্জে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের বলাৎকার; অভিভাবকগণ আতঙ্কে •রামগঞ্জে ক্ষুদে মেসি: ৪ ম্যাচে ৯ গোল! •পশুর সাথে শত্রুতা- অল্পের জন্য রক্ষা! •একজন যোগ্য শিক্ষকের হাত ধরে তৈরি হয় একজন সু-নাগরিক...... ড. আনোয়ার হোসেন খাঁন •রামগঞ্জে রমজান উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত •লক্ষ্মীপুরে রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
Untitled Document

কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান পাননি নাজিম উদ্দিন, রামগঞ্জে হাল ধরছেন তৃতীয় পক্ষ !

তারিখ: ২০১৬-০৮-১২ ১১:৩৮:৫৯  |  ১৫৯১ বার পঠিত

1 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

মাহমুদ ফারুক:

সদ্য ঘোষিত হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদীদল বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটি। এ কমিটিতে লক্ষ্মীপুরের ৮ নেতার নাম থাকলেও আগের নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দিন আহম্মেদকে বাদ দেয়া রামগঞ্জ উপজেলা বিএনপি শিবিরে দেখা দিয়েছে চরম হতাশা। কারন স্বাধীনতা পরবর্তি বিএনপি দলীয় সাবেক এমপি ও প্রতিমন্ত্রী জিয়াউল হক জিয়া কেন্দ্রীয় কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদকসহ গুরুত্বপূর্ন পদে অধিষ্ঠিত থেকেছেন। অনেক নেতা কর্মীই ধারনা করছেন, রামগঞ্জ উপজেলা বিএনপিতে তৃতীয়পক্ষের আর্ভিভাব অস্বাভাবিক কিছুই না। কারন ইতোমধ্যে ঢাকার একজন সাবেক প্রভাবশালী ওয়ার্ড কাউন্সিলর ভিতরে ভিতরে দল গোছানোর অনেকটাই গুছিয়ে এনেছেন।

অনেকটা কাটছাট দিয়ে গঠিত হওয়া এ কমিটিতে লক্ষ্মীপুর জেলার ৮ জন নেতা কেন্দ্রীয় কমিটির যথাক্রমে ১৬ নম্বর উপদেষ্টা পদে স্থান পেয়েছেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভুইঁয়া এবং ৩৫ নম্বর উপদেষ্টা হয়েছেন সাবেক সচিব ইসমাইল জাবিউল্লাহ।

এছাড়াও জাতীয় নির্বাহী কমিটিতে প্রচার সম্পাদক পদে লক্ষ্মীপুর সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক ছাত্রনেতা শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সহ সম্পাদক পদে লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি সাহাব উদ্দিন সাবু, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সহ-সম্পাদক পদে রামগতি-কমলনগর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান।

অন্যদিকে জাতীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান নিয়েছেন আরো ৩ জন। সাবেক নারী সংসদ সদস্য সাইমুন বেগম, বিএনপি নেতা ফোরকান-ই-আলম, সাবেক ছাত্রনেতা শফিউল বারী বাবু।

শুধুমাত্র রামগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সাংসদ নাজিম উদ্দিন আহম্মেদকে কোন পদে না রাখায় অনেকটাই হতাশা বিরাজ করছে দলটির নীতিনির্ধারনী পর্যায়ে। এছাড়া নাজিম উদ্দিন বিগত সময়ে বেশ কয়েকজন দলের ত্যাগি ও সিনিয়র নেতাদের সরিয়ে নিজে বিএনপির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মাহাবুুবুর রহমান বাহারকে সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব দিয়েছেন। এমনকি গত বছরখানেক পূর্বে রামগঞ্জ পৌর বিএনপির আস্থাভাজন ও ত্যাগি দুই নেতা রফিক উল্যাহ পাটওয়ারীকে সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক এডভোকেট তোফাজ্জল হোসেন বাচ্চুকে বাদ দিয়ে আহবায়ক কমিটি গঠন করেছেন কোন নিয়ম না মেনে। এক বছর পার হতে চললেও এখনো গঠিত হয়নি পূর্নাঙ্গ কমিটি।

দলের বেশ কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধেও রয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের সাথে দহরম মহরম করতে। বড় বড় পদধারী একজন উপজেলা বিএনপির নেতা একজন ছাত্রনেতার বিরুদ্ধে দু,চারটি মামলা থাকলেও সারাদেশে গ্রেফতার আতঙ্ক থাকলেও ঐ দুজন নেতা কখনো গ্রেফতার আতঙ্কে রামগঞ্জ ছাড়া হননি। উপরুন্ত এ দুজন নেতা প্রকাশ্যে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ নেতাদের সাথে উঠবস করতে দেখা গেছে।
একজন পৌর নেতা গ্রেফতার হলেও পরে প্রমানিত হয় তিনি মাদকসহ গ্রেফতার হয়েছেন। যুবদলের এক সিনিয়র নেতা আবার শান্তি কমিটির লোক, দলের এতবড় পদ তার দখলে থাকলেও তিনি সবসময় আওয়ামীলীগের সাতে আঁতাত করে বিএনপির তথ্য পাচার করছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া যায়।

এছাড়া বিগত প্রায় ১৫ বছর থেকে দলের কোন কাউন্সিল না হওয়ায় দলের ত্যাগি নেতাদের কোন মূল্যায়ন হয়নি বলে অভিযোগ করেন দলের ত্যাগি নেতাকর্মীরা। ফলে দলের মধ্যে রয়েছে চরম বিভেদ।
সরেজমিন ও স্থানীয় নেতাদের সাথে আলোচনা করে দেখা যায় এ চিত্র...
নিজ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন নাজিম উদ্দিন আহমেদ । কিন্তু সরকার গঠন করতে পারেনি তার রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ২০০৬ সালের অক্টোবরের পর থেকে তার সরকার না থাকলেও ৫ বছর ধরে সংসদ সদস্য ছিলেন তিনি।

গত নির্বাচনে যখন সারাদেশে পানিতে ভাসা ধানের শীষের ওপর দিয়ে নৌকা চলেছে দুর্বার গতিতে, তখনও লক্ষ্মীপুর জেলায় ভাটার টানে হারিয়ে গেছে আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কা। তবে যে জনগণ আর নেতাকর্মী ধানের শীষে বাঁশি বাজিয়েছেন, তাদের পর করেছেন লক্ষ্মীপুরের ১ আসন (রামগঞ্জ) থেকে বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আহমেদ ।

বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলের মেয়ে হওয়ায় লক্ষ্মীপুরবাসীর দুর্বলতা রয়েছে ধানের শীষ প্রতীকের। এছাড়াও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় থাকাকালে এ অঞ্চলের ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করেন। জেলায় শিক্ষিতের হার ৪৯ দশমিক ৪ শতাংশ। ভোটারদের অনেকেই প্রার্থী নয়, বরং ধানের শীষ প্রতীক দেখেই ভোট দিয়েছেন ।

২০০৮ এর নির্বাচনে ধানের শীষে রায় দিয়ে আবারো নিজেদের বিএনপি ঘেষা বলে প্রমাণ করে দেয়। তার ফল হিসেবে গত ৫ বছরে লক্ষ্মীপুরের ১ আসন (রামগঞ্জ) উন্নয়নের গতি ধীর। কিন্তু জনগণের ভোটে জয়ী বিএনপির নাজিম উদ্দিন আহমেদ বিপদে দাঁড়াননি জনগণ ও নেতাকর্মীদের পাশে।

মামলা হামলায় কারো কোন সহযোগীতায় এগিয়ে আসেন নি তিনি। এ ক্ষেত্রে অবশ্য স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ রয়েছে তৃণমূল কর্মীদের।

গত নির্বাচনে জয়ের পর এলাকাবাসী আর স্থানীয় পর্যায়ে দলীয় নেতাকর্মীদের থেকে গা বাঁচিয়ে চলা এই বিএনপি প্রার্থীর ভাগ্য আগামী নির্বাচনে পাল্টেও যেতে পারে বলে ধারণা স্থানীয়দের।
দলের সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে সংসদে তেমন যাননি এই সংসদ সদস্য। ফলে ভোটারদের কথাও সংসদে বলেননি তিনি। এছাড়াও নির্বাচনের আগে দেওয়া ভুরি ভুরি প্রতিশ্রুতি এখন নিজেই ভুলে বসেছেন। দল ক্ষমতায় না থাকার অযুহাত দেখাচ্ছেন জনগণকে। নিজেদের নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে দূরে সরে থাকছেন এলাকা থেকে।

ওয়ান-ইলেভেনের পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সাবেক এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী জিয়াউল হক জিয়ার দেশান্তরি সুযোগকে কাজে লাগিয়ে লক্ষ্মীপুর-১ আসনে (রামগঞ্জ) বিএনপি থেকে মনোনয়ন নিয়ে বিজয়ী হয় নাজিম উদ্দিন আহমেদ। এ আসনে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৪২০ জন ভোটারের ৫৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ ভোট দিয়েছিলেন তাকে। তবে নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. শাহজাহান পেয়েছেন ৪১ দশমিক ১৮ শতাংশ ভোট।

নির্বাচনের বেশ কিছুদিন পর প্রায় ডজন খানেক মামলা ও গ্রেফতারি ফরোয়ানা কাঁধে নিয়ে এলাকায় ফিরে আসেন জিয়া উল হক জিয়া। গ্রেফতার হয়ে জেলে যান। জেলে থাকাবস্থায় আক্রান্ত হন দুরারোগ্য ব্যধি ক্যান্সারে। বুঝতে পারেন নি।

দুই বছর নিজ গ্রামে আসেন জিয়াউল হক জিয়া। এসময় হাজার হাজার কর্মী সমর্থক তাকে রামগঞ্জে উষ্ণ অভিনন্দন জানান। হতবাক হয়ে যান মানুষের ভালোবাসা দেখে। কর্মীদের আশাহত হতে নিষেধ করেন তিনি। নেত্রী ডাকলে তিনি অবশ্যই উপস্থিত হবেন। অথছ খালেদা জিয়া তাকে বার বার বলার পরও তিনি কথা রাখেন নি। সাধারন জিয়া সমর্থিতর হতাশায় মুসড়ে পড়েন। ক্যান্সারের চিকিৎসায় চলে যান ব্যাংককে। সেখান থেকে দীর্ঘদিন আবারো ফিরে আসেন এলাকায়। নিজ বাসভবনের সামনে এক সভায় ঘোষণা দেন আর রাজনীতি করবো না। তিনি সবসময় আছেন, থাকবেন। রাজনীতির সাথে আর জড়াবেন না। এ কথা বলার সাথে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন হাজার হাজার নেতাকর্মী।

পরে শুনা যায়, তিনি তার রামগঞ্জস্থ বাসভবন অন্যত্রে বিক্রি করে দিয়েছেন। নেতাকর্র্মীরা হতাশ হয়ে জিয়াউল হক জিয়ার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। কয়েকজনের কাছে জিয়াউল হক জিয়া ব্যাংকক থেকে ফোন করলেও নেতাকর্মীরা তার সাথে কথা বলেন নি। জিয়ার সাথে সাধারন মানুষের এক প্রকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এদিকে ব্যাংককে চিকিৎসাধীন জিয়াউল হক জিয়ার অবস্থার অবনতি হতে থাকে আরো বেশি। অনেকটা দূর্বল হয়ে পড়ে জিয়া সমর্থিত কর্র্মী সমর্থকরা।

আর এদিকে নাজিম উদ্দিন আহম্মেদ এলাকার লোকজনের চেয়ে প্রতিদ্ধন্ধি জিয়ার সঙ্গে চলমান বিরোধেই তিনি বেশি ব্যস্ত থাকতে হয়েছে। এ আসনে রামগঞ্জ উপজেলায় গত ৫ বছরে কোন উন্নয়নের স্বাক্ষর রাখতে পারেন নি তিনি। এমনকি লক্ষ্মীপুরের চেয়ে ঢাকামুখি ছিলেন বেশি। নির্বাচনের পর দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর সরকার দলীয় সংগঠনের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা হামলা চালায় বিভিন্ন সময়। কিন্তু স্থানীয় নেতাদের বিপদে পাশে না দাঁড়িয়ে কৌশলে এড়িয়ে গেছেন নাজিম।

উপজেলা শহরের কোথাও একটি অফিস পর্যন্ত দিতে পারেনি তার সময়কার সময়ে। ফলে কোন রাজনৈতিক কর্মকান্ড তিনি রামগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার দুরে ভাদুরের নাজিম উদ্দিন আহম্মেদের নিজ বাসভবনে চালাতে হয়েছে। ফলে আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্থ হতে হয়েছে তৃণমূল কর্মীদের। এছাড়া নাজিম উদ্দিন আহম্মেদের বাড়ীতে অনুষ্ঠান করে ফিরে আসার পথেও ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের হামলা শিকার হতে হয়েছে বেশ কয়েকবার।

আর এসব ঘটনায় আওয়ামীলীগ নীতি নির্ধারকরাও সুযোগ পেয়ে বিএনপি’র অভ্যন্তরিন কোন্দল হিসাবে প্রচারনা চালাতে সুবিধা হয়েছে।

সম্প্রতি বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা, গুলি বিনিময় ও মামলার ঘটনাও ঘটেছে। যদিও বা জিয়া পন্থিদের বিএনপি কর্মী বলতে নারাজ নাজিম সমর্থকদের, পক্ষান্তরে নাজিম উদ্দিন অনেকটাই দুর্বল জিয়া সমর্থিতদের কাছে।

স্থানীয়দের অভিমত আগামী নির্বাচনে জিয়াউল হক জিয়া ও তার সমর্থকদের সঙ্গে বিরোধ চলমান থাকলে গত নির্বাচনে পাওয়া ২০ হাজার ভোটের ব্যাবধান এবার টপকাতে খুব বেশী বেগ পেতে হবে না আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীর।

তাই দেখা যায়, লক্ষ্মীপুরের অন্য তিন আসনের চেয়ে নাজিম উদ্দিনের অবস্থা বেশ দুর্বল।

স্থানীয় রাজনীতি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নয় বরং বিএনপির দুই প্রার্থীই নিজেদের জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে বিএনপি’র জন্য। যে কোন একজন আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে সমর্থন দিলে এ আসন হাতছাড়া হতে পারে চিরদিনের জন্য। বর্তমানে এ আসনটি দীর্ঘ দুই যুগ পর ১৪ দলীয় জোটের অন্যতম শরীক তরিকত ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব লায়ন এম এ আউয়াল জোটের শরীক হিসাবে নৌকা প্রতীকে (বিতর্কিত নির্বাচন) করে জয়ী হয়েছে । এক্ষেত্রে একজন শক্ত প্রার্থী বিএনপিকে আবারো আস্তাকুড়ে থেকে উত্তোরন করতে পারবে বলে অনেকে মনে করেন। অনেকে ধারনা করছেন, আগামী নির্বাচনে তৃতীয় কোন শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে। কারন হিসাবে জানা যায়, কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা ইমাম হোসেন, ইয়াসিন আলী, কাউন্সিলর হারুন অর রশিদ ও আবদুর রহিম ভিপির মতো অনেক নেতাই রয়েছেন বিএনপি’র হাল ধরার জন্য। এছাড়া আগামীতে যদি নির্বাচন হয়, আর সেক্ষেত্রে জোটবদ্ধ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহন করলে আরেক শক্তির উত্থান হতে পারে মনে করেন অনেকই।

আর জোটের শরীক এলডিপি যদি রামগঞ্জ আসনে কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন-মহাসচিব শাহাদাৎ হোসেন সেলিমকে মনোনয়ন দেয় সেক্ষেত্রে তার জয়লাভ অনেকটা সুনিশ্চিত ।

এই প্রেক্ষাপটে বিএনপির জন্য যেমন লক্ষ্মীপুর-১ আসনটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে তেমনি অস্তিত্বের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে এমপি নাজিম উদ্দিন ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী জিয়াউল হক জিয়ার জন্য। শেষ পর্যন্ত পানি কোন দিকে গড়ায় তা দেখার জন্য সময়ের প্রতিক্ষায় রামগঞ্জবাসী।

মাহমুদ ফারুক।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•রামগঞ্জে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের বলাৎকার; অভিভাবকগণ আতঙ্কে •রামগঞ্জে রমজান উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত •রামগঞ্জে শান্তিপূর্ন নির্বাচনের দাবিতে প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন • রামগঞ্জ উপজেলা বিএনপি: একের পর বহিস্কার অব্যহতি কোনঠাসা তৃণমূল •রামগঞ্জে কাউন্সিলরের নেতৃত্বে সম্পত্তি দখল •রামগঞ্জে সাংবাদিকদের সাথে বিআরডিবি চেয়ারম্যান প্রার্থী এমরান হোসেন বাচ্চুর মতবিনিময় •১৩২/৩৩ কেভি গ্রীড উপ-কেন্দ্র স্থাপনে ভূমি অধিগ্রহন: রামগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্থ ভূমি মালিকদের ক্ষতিপূরন আদায়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ •রামগঞ্জে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সন্ত্রাসী দিয়ে সম্পত্তি দখল
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

  • Top
    Untitled Document