Thursday,  Nov 15, 2018   02:42 AM
Untitled Document Untitled Document
সংবাদ শিরোনাম: •লক্ষ্মীপুরে মাদক ব্যবসায়ীর মুক্তির দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন, বিপাকে শিক্ষক •রামগঞ্জে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের বলাৎকার; অভিভাবকগণ আতঙ্কে •রামগঞ্জে ক্ষুদে মেসি: ৪ ম্যাচে ৯ গোল! •পশুর সাথে শত্রুতা- অল্পের জন্য রক্ষা! •একজন যোগ্য শিক্ষকের হাত ধরে তৈরি হয় একজন সু-নাগরিক...... ড. আনোয়ার হোসেন খাঁন •রামগঞ্জে রমজান উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত •লক্ষ্মীপুরে রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
Untitled Document

গার্মেন্টস ব্যবসার নামে শত কোটি টাকা বিদেশে পাচার

তারিখ: ২০১৬-০৬-১৫ ২৩:৫২:৫৩  |  ১৩৮৭ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

ঢাকা : তৈরি পোশাক রপ্তানির নামে ১০০ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছেন শহিদুল ইসলাম নামের এক ভুয়া গার্মেন্টস ব্যবসায়ী। দীর্ঘ সাত মাস অনুসন্ধানে বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় তাকে একমাত্র আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ।
 
বুধবার রাজধানীর মতিঝিল থানায় মামলাটি দায়ের করেন শুল্ক গোয়েন্দার সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার সরকার।  
বিষয়টি শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মইনুল খান বাংলামেইলকে নিশ্চিত করেছেন। আর এটি মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে এনবিআরের করা প্রথম মামলা বলেও জানা যায়।
 
শুল্ক গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, ঢাকার মিরপুরের পর্বতা সেনপাড়া এসএন ডিজাইন লিমিটেড নামের এক ভুয়া প্রতিষ্ঠানের মালিক শহিদুল ইসলাম। শুল্ক গোয়েন্দার তদন্তে বর্তমানে ওই ঠিকানায় কোনো কারখানার অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। ওই প্রতিষ্ঠানটি ২০১০-২০১৫ মেয়াদে পাঁচ বছরে ২৯৭টি চালান বিদেশে রপ্তানি করলেও রপ্তানির বিপরীতে কোনো বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আনেনি।
 
গোপন অভিযোগের ভিত্তিতে, শুল্ক গোয়েন্দা গত বছরের ডিসেম্বরে চট্টগ্রাম বন্দরে ৭টি চালানের কন্টেইনার রপ্তানি করার প্রাক্কালে আটক করে। এরপর কাগজপত্র পরীক্ষা করে দেখা যায় ব্যাংকের ইএক্সপি ফর্ম ও এলসি জাল করে এসব কন্টেইনার রপ্তানি করার চেষ্টা হয়েছে। গত পাঁচ বছরের হিসাব নিয়ে দেখা যায়, এর আগে ভুয়া প্রতিষ্ঠানটির নামে ২৯০টি চালানের কন্টেইনার রপ্তানি করা হয়েছে ব্যাংকের কাগজ জাল করে। সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল শাখা, ব্রাক ব্যাংকের গুলশান শাখা এবং ন্যাশনাল ব্যাংকের আগ্রাবাদ শাখার গ্রাহক দেখিয়ে প্রতিষ্ঠানটি এই জালিয়াতি করে।
 
সূত্রটি আরো জানায়, এভাবে দীর্ঘ সময়ে তৈরি পোশাক রপ্তানির নামে ১০০ কোটি টাকা পাচার করেছে বলে প্রমাণিত হয়। বিচারিক আদালতে এ অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বনিম্ন ৪ বছর ও সর্বোচ্চ ১২ বছর কারাদণ্ড হতে পারে। একইসাথে অর্থদণ্ডেরও বিধান রয়েছে।
 
এর আগে এসব মানিলন্ডারিং সংক্রান্ত অভিযোগের অনুসন্ধান ও তদন্ত করতো দুদক। পরে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সংশোধনী আইন-২০১৫ অনুযায়ী কাস্টমস গোয়েন্দাকে তদন্ত করার ক্ষমতা দেয়া হয়। আর তাই মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সংশোধনী আইন ২০১৫ পাসের পর এনবিআর কর্তৃক এই আইনে এটি প্রথম ফৌজদারি মামলা।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

  • Top
    Untitled Document